পড়তে চাইলে —
জীববিজ্ঞান ভাইভার স্পেশাল সাজেশনটির পিডিএফ ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুন —
১৮ তম লিখিত প্রশ্ন –

সমাধান পড়ুন –
রিয়েল ভাইভা নং – ০১ ( প্রাণিবিজ্ঞান ) – ১৭ তম নিবন্ধন থেকে নেওয়া ।
[ উত্তরগুলো আমার দেওয়া ]
প্রশ্ন – ০১ – DNA টেস্ট কেন করা হয় ?
উত্তরঃ
ক) বংশগত রোগ নির্ণয়ে ডি এন এ টেস্ট করা হয় ।
খ) পিতৃত্ব নির্ধারণে ডি এন এ টেস্ট করা হয়৷
গ) অপরাধী শনাক্তকরণে ডি এন এ টেস্ট করা হয় ।
ঘ) মানুষের জিনগত বৈচিত্র্য এবং
বিভিন্ন রোগের কারণ সম্পর্কে জানতে ডি এন এ টেস্ট করা হয়৷
প্রশ্ন – ০২ – জিন ও জিনোম কী ?
উত্তরঃ জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে নিয়ন্ত্রণ কারী ক্ষুদ্রতম এককের নাম জিন ।
ক্রোমোজমে অবস্থিত সকল জিনকে জিনোম বলে।
প্রশ্ন – ০৩ – কর্ডাটা পর্বের বৈশিষ্ট্য বলুন ।
উত্তরঃ
ক) ভ্রণাবস্থায় অথবা আজীবন কর্ডেটের পৃষ্ঠ-মধ্যরেখা বরাবর দন্ডাকার ও স্থিতিস্থাপক নিরেট নটোকর্ড থাকে। উন্নত প্রাণীদের পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় এটি মেরুদণ্ড (vertebral column) দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়।
খ) নটোকর্ডের ঠিক উপরে লম্ব অক্ষ বরাবর নলাকার স্নায়ুরজ্জু (spinal cord) গঠন করে।
গ) জীবনের যে কোনো দশায় যা আজীবন কর্ডেটে গলবিলের দুপাশে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র (gill slits) থাকে ।
ঘ) গলবিলের নিচে এন্ডোস্টাইল(endostyle) নামক অঙ্গ থাকে, এটি পরবর্তীতে থাইরয়েড গ্রন্থিতে রূপান্তরিত হয়।
প্রশ্ন – ০৪ – আপনি কেন শিক্ষক হতে চান ?
উত্তরঃ আমার নতুন কিছু শিখতে ও শেখাতে বেশি ভালো লাগে। আর শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যেখানে ভালো শিক্ষক হতে ও নিজেকে উন্নত করতে চাইলে সবসময় শেখার মাঝেই থাকতে হয়। তাই, আমি শিখতে ও শেখাতে শিক্ষক হতে চাই।
রিয়েল ভাইভা নং – ০২ ( প্রাণিবিজ্ঞান ) – ১৭ তম নিবন্ধন থেকে নেওয়া ।
[ উত্তরগুলো আমার দেওয়া ]
প্রশ্ন – ০১ – রক্তের কাজ বলুন ।
উত্তরঃ
১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে।
২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে
৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে।
৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে স্থানে রক্ত জমাট বাঁধায়। ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয়।
প্রশ্ন – ০২ – স্পার্মাটোজেনেসিস ও উওজেনেসিস এর মধ্যে পার্থক্য বলুন৷
উত্তরঃ
স্পার্মাটোজেনেসিস —
ক) এটি শুক্রাশয়ে ঘটে।
খ) শুক্রাণু মাতৃকোষ থেকে চারটি শুক্রাণু সৃষ্টি হয়।
গ) কোন পোলার বডি সৃষ্টি হয় না।
ঘ) শুক্রাণু কুসুমবিহীন এবং সচল।
উওজেনেসিস —
ক) এটি ডিম্বাশয়ে ঘটে।
খ) ডিম্বাণু মাতৃকোষ থেকে একটি ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
গ) তিনটি পোলার বডি সৃষ্টি হয়
ঘ) ডিম্বাণু কুসুমযুক্ত এবং নিশ্চল
প্রশ্ন – ০৩ – ডেঙ্গু কেন হয় ?
উত্তরঃ ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত ভাইরাল সংক্রমণ। ভাইরাস যদি কোনো এডিস মশার মধ্যে সংক্রমিত হয় তবে সেই এডিস মশার কামড়ে হয়ে থাকে ।
প্রশ্ন – ০৪ – ডেঙ্গু হলে কোন রক্ত কণিকার মাত্রা কমে যায় ?
উত্তরঃ প্লাটিলেট ( অনুচক্রিকা )
আরো জানুন —
ক) প্লাটিলেট কমে যাওয়ার প্রধান কারণ এটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হতে পারে না।
খ) সাধারণ মানবদেহে ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট ১.৫ মিলিয়ন থেকে ৪ লক্ষ পর্যন্ত হয়, অন্যদিকে ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট সংখ্যা ২০,০০০ থেকে ৪০,০০০ অবধি কমতে থাকে।
প্রশ্ন – ০৫ – রক্ত কণিকা কত প্রকার ও কী কী ?
উত্তরঃ তিন প্রকার – যথা:
ক) লোহিত রক্ত কণিকা
খ) শ্বেত রক্ত কণিকা
গ) অনুচক্রিকা
প্রশ্ন – ০৬ – রক্তে রক্ত রস ও রক্তকণিকার শতকরা পরিমাণ কত ?
উত্তরঃ রক্তরস বা প্লাজমা ৫৫% এবং রক্ত কণিকা ৪৫% ।
প্রশ্ন – ০৭ – কেন এই পেশায় আসতে চান ?
উত্তরঃ [ নিজের মত দিবেন ]
অথবা —
শিক্ষকতা হচ্ছে সম্মানজনক একটি মহান পেশা। শিক্ষকরা হচ্ছেন সভ্যতার ধারক-বাহক। শিক্ষক শুধু শিক্ষাদানই করেন না, তিনি মানুষ গড়ার কারিগরও। পিতা-মাতা আমাদের জীবনদান করেন ঠিকই। শিক্ষকরা সেই জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন। একজন আদর্শ শিক্ষক স্ব-মহিমায় বিশুদ্ধ জ্ঞান, মানবিক আর নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত এবং দীক্ষিত করে গড়ে তোলেন দেশের যোগ্য নাগরিক। শিক্ষা যেহেতু জাতির মেরুদণ্ড শিক্ষকরা হচ্ছেন এই মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর। এ সমাজের মধ্যে নৈতিক বিচারে শিক্ষকদের চেয়ে সম্মানিত এবং শিক্ষকতার চেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পেশা দ্বিতীয়টি নেই। এসব কারনেই আমি এই পেশায় আসতে চাই ।
রিয়েল ভাইভা – ০৪
ভাইভা অভিজ্ঞতা
বিষয় : জীববিজ্ঞান
নিবন্ধন : ১৭ তম
তারিখ : ২৬/১১/২০২৩
বোর্ড : ৩
বোর্ডের সদস্য সংখ্যা : ৩
প্রথমেই নমস্কার দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করার অনুমতি চেয়েছিলাম।
বোর্ড প্রধান অনুমতি দেয়ায় প্রবেশ করলাম।
ভিতরে গিয়ে আরেকবার নমস্কার দেয়ায় আমাকে মাঝের চেয়ারে বসতে বললেন বোর্ড প্রধান।
বাম দিকে থাকা একজন স্যার আমার সকল কাগজপত্র চাইলেন।
আমি হালকা ঘুরে তাকে কাগজপত্র জমা দিলাম।
বোর্ড প্রধান : পড়াশোনা কোথায় থেকে করেছেন?
আমি : কারমাইকেল কলেজ, রংপুর।
বোর্ড প্রধান : মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন? কোন সাবজেক্টে?
আমি : মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি স্যার। বোটানিতে অনার্স ও মাস্টার্স দুটোই।
বোর্ড প্রধান বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ এক্সটার্নাল ম্যামের দিকে ইঙ্গিত করে প্রশ্ন করতে বললেন।
আমি হালকা ডানে ঘুরে ম্যামের দিকে চেয়েছিলাম।
ম্যাম : কোষ কি? কত প্রকার ও কি কি?
আমি : উত্তর করলাম।
ম্যাম : দেহকোষ ও জননকোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা কত?
আমি : উত্তর করলাম।
ম্যাম : আদিকোষ ও প্রকৃতকোষ চিনবেন কিভাবে?
আমি : উত্তর করলাম।
ম্যাম : ডাইকটিলিডনিস ও মনোকটিলিডনিস কি? বৈশিষ্ট্য বলেন।
আমি : উত্তর করলাম।
ম্যাম : জিনতত্ত্বের জনক কে?
আমি : উত্তর করলাম।
ম্যাম বোর্ড প্রধান স্যারের দিকে তাকালেন।
স্যার বললেন ম্যাম আরো প্রশ্ন করবেন এনাকে?
ম্যাম বললেন প্রয়োজন নেই, এনার বেসিক ভালো।
বোর্ড প্রধান স্যার আমাকে শুভকামনা জানালেন এবং আসতে বললেন।
আমি আবারও নমস্কার দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে আসলাম।
সৌমিক দে
সহকারী শিক্ষক (জীববিজ্ঞান)
কিশোরপুর এন ইউ এ উচ্চ বিদ্যালয়,
উলিপুর, কুড়িগ্রাম।
রিয়েল ভাইভা – ০৩
১৭ তম নিবন্ধন সহকারী শিক্ষক ( জীব বিজ্ঞান) ভাইবাতে আমাকে যা প্রশ্ন করা হয়েছিলো।
ভাইভা বোর্ডে ৩ জন ছিলেন।
প্রশ্ন১: আপনার নাম কি? নিজ জেলার নামকরণ সমন্ধে বলুন।
প্রশ্ন২: কোথায় পড়ালেখা করেছেন?
প্রশ্ন৩: সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র সমন্ধে বলুন।
প্রশ্ন৪: ভাইরাসকে অকোষীয় বলা হয় কেন?
প্রশ্ন৫: করোটিক স্নায়ু কী? এগুলোর নাম সিরিয়ালি বলুন।
প্রশ্ন৬:সাইটোকাইনেসিস কী? সাইটোপ্লাজম ও প্রোটোপ্লাজম সমন্ধে বলুন।
প্রশ্ন৭: অ্যানিলিডা পর্বের সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য বলুন।
ঠিক আছে আপনি এখন আসুন।
মো: ময়নুল ইসলাম
সহকারী শিক্ষক( জীববিজ্ঞান)
ফিশারিজ ( ভাইভার জন্য )
১। ফিশারিজ কাকে বলে ?
উত্তরঃ জীববিজ্ঞানের যে ফলিত শাখায় মাছ ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য জলজ প্রাণীর জীবতত্ত্ব, বাস্তুতন্ত্র, আহরণ, চাষ, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি বিষয়াদি নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা (পাঠ ও গবেষণা) করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries Science বা Fisheries) বলে।
২। মৎস্য বিদ্যা ( Ichthyology ) কাকে বলে ?
উত্তরঃ জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে।
৩। Exotic Fish বা বিদেশি মাছ কাকে বলে ?
উত্তরঃ সাধারণত মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য একটি দেশ অন্য দেশ থেকে উচ্চ বর্ধন গুণ বিশিষ্ট মাছকে নিজের দেশে নিয়ে এলে মাছটি সেদেশের জন বিদেশী বা বহির্দেশীয় মাছ বলে বিবেচিত হয়ে থাকে।
আমাদের দেশে ৭৯ ভ্যারাইটির বাহারি ও ১২ প্রজাতির চাষকৃত বিদেশী মাছ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
ক) সোর্ড-টেইল, গোল্ডফিশ, মলি, গাপ্পি, গোরামি, শার্ক, বার্ব, ফাইটার, প্লাটি ইত্যাদি আমাদের দেশের পরিচিত বাহারি বিদেশী মাছ।
খ) সিলভার কার্প, মিরর কার্প, ব্লাক কার্প, বিগহেড কার্প, থাই পুটি, নাইলোটিকা, তেলাপিয়া, থাই কই, পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর ইত্যাদি আমাদের দেশের পরিচিত চাষকৃত বিদেশী মাছ।
৪। মাছ কাকে বলে ?
উত্তরঃ শীতলরক্ত বিশিষ্ট জলজ মেরুদণ্ডী প্রাণী যারা জোড়-বিজোড় পাখনার সাহায্যে সাঁতার কাটে এবং ফুলকার সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালায় তাদেরকে Fish (মাছ) বলে। তবে অনেক মৎস্যবিজ্ঞানী মাছের কোন একক প্রজাতির একটি সদস্য বা সকল সদস্যকে Fish বলে অভিহৃত করে থাকেন অন্যদিকে মাছের একাধিক প্রজাতিকে সম্মিলিতভাবে Fishes বলে থাকেন।
৫। মীন কী ?
উত্তরঃ মীন “মাছ” এর প্রতিশব্দ। মাছের অন্য একটি বহুল প্রচলিত প্রতিশব্দ হচ্ছে মৎস্য।
৬। পাখনা বা ফিন কী ?
উত্তরঃ পাখনা হচ্ছে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর পানিতে চলাচল (যেমন-সাঁতার কাটা) ও ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ।
পাখনার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মাছে প্রধানত পাঁচ প্রকারের পাখনা দেখতে পাওয়া যায়। যথা- পৃষ্ঠ পাখনা, পুচ্ছ পাখনা, পায়ু পাখনা, বক্ষ পাখনা ও শ্রোণী পাখনা। এছাড়াও অনেক সময় পায়ু পাখনা মাছের সম্পূর্ণ অঙ্কীয় প্রান্ত জুড়ে অবস্থান করে তখন পায়ু পাখনাকে অঙ্কীয় পাখনাও বলা হয়ে থাকে।
৭। Spent Fish কাকে বলে ?
উত্তরঃ প্রজননত্তোর মাছ (Spent Fish) বলতে এমন স্ত্রী বা পুরুষ মাছকে বোঝায় যেমাছ এইমাত্র ডিম্বাণু (ovum) বা শুক্রাণু (sperm) ত্যাগ করেছে।
৮। ব্রুডফিস কাকে বলে ?
উত্তরঃ মৎস্য হ্যাচারিতে প্রজননের উদ্দেশ্যে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু উৎপাদনে ব্যবহৃত পরিপক্ক মাছকে ব্রুডফিশ বলা হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশে (যেমন-নদী) ডিম্বাণু ও শুক্রাণু উৎপাদনে সক্ষম পরিপক্ক মাছকেও অনেক সময় ব্রুডফিশ বলা হয়ে থাকে।
৯। এপিকালচার, পিসিকালচার ও সেরিকালচার কী ?
উত্তরঃ মৌমাছি পালনকে এপিকালচার, মৎস্য চাষকে পিসিকালচার এবং রেশম চাষকে সেরিকালচার বলে।
১০। মাছের কয় ধরণের আঁইশ থাকে ?
উত্তরঃ মাছে পাঁচ ধরণের আঁইশ দেখতে পাওয়া যায় । যথা-
১. কসময়েড (Cosmoid) আঁশ (লাঙ্গফিশ ও কিছু ফসিল মাছ)
২. প্লাকয়েড (Placoid) আঁশ (হাঙ্গর ও শঙ্খমাছ)
৩. গ্যানয়েড (Ganoid) আঁশ (বিচির, বোফিন, গারস, ষ্টারজন, প্যাডেলফিশ ইত্যাদি)
৪. টেনয়েড (Ctenoid) আঁশ (কই, মেনি, কোরাল ইত্যাদি)
৫. সাইক্লয়েড (Cycloid) আঁশ (রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি)
১১। সাইক্লয়েড আঁইশ কী ?
উত্তরঃ পাতলা, প্রায় গোলাকার, সমান প্রান্ত বিশিষ্ট ও চাকতি আকৃতির আঁইশকে সাইক্লয়েড আঁইশ বলা হয়।
অধিকাংশ রুই জাতীয় মাছ এবং নরম পাখনা রশ্মি বিশিষ্ট অন্যান্য মাছে এ আঁইশ দেখতে পাওয়া যায়।
১২। জিওল মাছ কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে সকল মাছের দেহে ফুলকা ছাড়াও অতিরিক্ত শ্বসনতন্ত্র থাকে, যার মাধ্যমে এরা বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে তাদেরকে জিওল মাছ বলে। কই, শিং, মাগুর ও শোল মাছকে জিওল মাছ বলা হয়। এই জাতীয় মাছ অল্প জায়গা ও অল্প পানিতে বেঁচে থাকতে পারে।
১৩। ক্যাটফিশ কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে সব মাছের মুখের চারিদিকে বিড়ালের গোঁফের মতো বার্ব বা কর্ষিকা থাকে তাদেরকে ক্যাট ফিশ বলে। ক্যাটফিশ অ্যাকটিনোটেরিজি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মাছ। যেমন- শিং মাছ, মাগুর মাছ প্রভৃতি।
১৪। হোমোসার্কাল কী ?
উত্তরঃ মাছের পুচ্ছ পাখনার খন্ড দু’টি সমান হলে তাকে হোমোসার্কাল বলে। অ্যাকটিনোটেরিজি শ্রেণীর মাছে হোমোসার্কাল থাকে। যেমন- ইঁলিশ (Tenualosa ilisha)।
১৫। লাং ফিশ কী ?
উত্তরঃ যে সব মাছের পটকা বা বায়ুথলী ফুসফুসে রুপান্তরিত হয়েছে তাদেরকে লাং ফিশ বলে। লাং ফিশ সার্কোপটেরাইজিয়াই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মাছ। এদের দেহে গ্যানয়েড আঁইশ থাকে । এদের লেজ ডাইফাইসার্কাল ধরণের৷
যেমন– Neoceratodus forsteri।
১৬। কন্ড্রিকথিস ( তরুনাস্থিময় মাছ ) এর বৈশিষ্ট্য লিখুন ।
উত্তরঃ
ক) এদের দেহ প্ল্যাকয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত ।
খ) মাথার দুইপাশে ৫ – ৭ জোড়া ফুলকারন্ধ্র থাকে তবে কানকো থাকে না।
গ) পুচ্ছ পাখনা হোমোসার্কাল ধরনের ।
উদাহরণ – স্টিং রে, থুট্রি হাঙ্গর ও হাতুড়ী হাঙ্গর ।
১৭। অস্টিকথিস ( অস্থিময় মাছ ) শ্রেণির সাধারণ বৈশিষ্ট্য লিখুন ।
উত্তরঃ
ক) বেশির ভাগই স্বাদু পানির মাছ।
খ) দেহ সাইক্লোয়েড, গ্যানয়েড বা টিনয়েড ধরনের আঁইশ দ্বারা আবৃত।
গ) মাথার দুই পাশে চার জোড়া ফুলকা থাকে।
ঘ) ফুলকাগুলো কানকো দিয়ে ঢাকা থাকে।
ঙ) পুচ্ছ পাখনা হোমোসার্কাল ধরণের ।
উদাহরণ – ইলিশ মাছ, বোয়াল মাছ ইত্যাদি ।
১৮। লোনা ও মিঠা পানির মাছের তালিকা করুন ।
উত্তরঃ লোনা পানির মাছঃ ইলিশ, লইট্যা, ভেটকী, লাক্ষ্যা, রূপচাঁদা, কোরাল,ছুরি।
মিঠা পানির মাছঃ রুই, কাতলা, মলা,কাচকি, চিতল, পাবদা,কৈ,শিং, মাগুর, বোয়াল, পুটি, মেনি, ইত্যাদি ।
১৯। কার্প জাতীয় মাছ কাকে বলে ?
উত্তরঃ মিঠা পানির যেসব মাছের থায় আঁইশ থাকে না কিন্তু সারাদেহ সাইক্লয়েড (cycloid) আইশ দিয়ে আবৃত থাকে, দেহগহ্বরে পটকা থাকে তাদের কার্প (carp) জাতীয় মাছ বলে।
কার্প জাতীয় মাছের মধ্যে যেগুলো দ্রুত বর্ধনশীল ও আকারে বড় তাদের মেজর কার্প বলে ।
২০। ভেনাস হার্ট কাকে বলে ?
উত্তরঃ হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে কেবল CO₂-সমৃদ্ধ রক্ত বাহিত হয় বলে রুই মাছের হৃৎপিণ্ডকে ভেনাস, হার্ট (venous heart) বা শিরা হৃৎপিণ্ড বলা হয়ে থাকে ।
২১। প্রানিজ আমিষের প্রধান উৎস কি?
উত্তরঃ মাছ।
২২৷ বর্তমানে সমুদ্র উপকুল থেকে পাওয়া যায় মোট মৎস্য উৎপাদনের শতকরা কত ভাগ?
উত্তরঃ ২৭ ভাগ।
২৩। রেনু পোনা কখন ছাড়ে?
উত্তরঃ বর্ষাকালে।
২৪। মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ ময়মনসিংহস্থ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বাংলা মৎস্য গবেষনা ইন্সটিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে মৎস্য ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদপুর নদী কেন্দ্রে স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে ময়মনসিংহ স্বাদু পানি কেন্দ্রে স্থানান্তরিত হয়।
২৫। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র কোনটি ?
উত্তরঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হল হালদা নদী। একে মৎস্য খনিও বলা হয় । এর উৎপত্তি খাগড়াছড়ির বদনাতলী এবং এটি চট্টগ্রামের কয়েকটি উপজেলা জুড়ে প্রবাহিত হয়েছে। প্রতিবছর একটি বিশেষ মুহূর্তে এই নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কার্প জাতীয় মাছ প্রচুর ডিম ছাড়ে। তাই একে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র বলা হয়।
২৬। ঝাটকা মাছ কাকে বলে ?
উত্তরঃ ২৩ সেমি বা ৯ ইঞ্চির নিচের আকৃতির ইলিশের বাচ্চাকে জাটকা বলে।
২৭। মৎস্য অভয়াশ্রম কী ?
উত্তরঃ কোনো জলাশয় বা এর নির্দিষ্ট অংশ যেমন- হাওর, বিল বা নদীর অংশ যেখানে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বা সারাবছর বা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ীভাবে মাছ ধরা নিষেধ করে মাছের নিরাপদ আশ্রয় ও প্রজননের ব্যবস্থা করা হয় তাই মৎস্য অভয়াশ্রম।
২৮। বর্তমানে দেশে মোট কতটি মৎস্য অভয়াশ্রম আছে?
উত্তরঃ বর্তমানে দেশে মোট ৫০০টি মৎস্য অভয়াশ্রম রয়েছে।
২৯। ফিশারিজ ট্রেংনি ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ ফিশারিজ ট্রেংনি ইনস্টিটিউট চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। লোনা পানির মাছ গবেষণা কেন্দ্র খুলনায় অবস্থিত।
৩০। ধানী পোনা কাকে বলে ?
উত্তরঃ ধানী পোনা বলতে রেণু পোনার পরবর্তী অবস্থা হতে ১.৫-২ সেমি পর্যন্ত আকারের পোনাকে বোঝায়। এই পোনার আকার ধানের আকারের সমান হয়ে থাকে বলেই একে ধানী পোনা বলে।
৩১। রেণু পোনা কাকে বলে ?
উত্তরঃ ডিমপোনার পরবর্তী ধাপ হচ্ছে রেণু পোনা (post larval fish)। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবার পরবর্তী কয়েক দিন ডিমপোনা তার গলবিলে অবস্থিত কুসুম থলি থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে থাকে। কুসুম থলির পুষ্টি নিঃশেষ হয়ে গেলে এরা প্রকৃতি থেকে খাদ্য গ্রহণ শুরু করে। এসময় থেকে পরবর্তী ৩-৫ দিন পর্যন্ত বয়সের মাছের পোনাকে রেণুপোনা বলে।
৩২। একুয়াকালচার কাকে বলে ?
উত্তরঃ অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর পরিকল্পিত এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উৎপাদনকে একুয়াকালচার বা মাৎস্য চাষ বলে।
৩৩। মাছ থেকে কত ভাগ আমিষ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ৬০ ভাগ।
৩৪। কোন মাছ খাওয়া নিষিদ্ধ?
উত্তরঃ পটকা, পিরানাহা।
৩৫। বাংলাদেশের “হোয়াইট গোল্ড” কোনটি ?
উত্তরঃ চিংড়ি ।
৩৬। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটটের কেন্দ্র ও অবস্থান কোথায়?
উত্তরঃ কেন্দ্র ৫টি, যথাঃ
১. স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ
২. নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর
৩. লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
৪. সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার
৫. চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।
৩৭। ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে কোন দেশ ?
উত্তরঃ বাংলাদেশ ।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
১। জীববিজ্ঞানের জনক
=অ্যারিস্টটল
২। জীবের সার্বিক অঙ্গস্থানিক গঠন বর্ণনা করে জীববিজ্ঞানের কোন শাখা?
= মরফোলজি বা অঙ্গসংস্থান
৩। প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ ও জীবাশ্ম সম্পর্কে আলোচিত হ য়?
= প্যালিওনটলজি বা প্রত্নতত্ত্ববিদ্যায়
৪। জীবের শ্রেণিবিন্যাস ও দ্বিপদ নাম করণের জনক কে ?
= ক্যারোলাস লিনিয়াস
৫। জীবের শ্রেণিবিন্যাসে কতটি ধাপ রয়েছে ?
= ৭টি
৬। দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম
=Copsychus saularis
7। জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় কীটপতঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হয় ?
= এন্টোমোলজি
৮। নিউক্লিয়াসের সংগঠনের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার ?
= ২প্রকার । যথা : আদি কোষ , প্রকত কোষ
৯ । কাজের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার ?
=২প্রকার । দেহ কোষ , জনন কোষ
১০ । কোষের শক্তির উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস হলো
= মাইটোকণ্ড্রিয়া
১১। প্লাস্টিড কত প্রকার ?
= ৩প্রকার । ক্রোমো, ক্লোরো , লিউকো
১২। প্রাণিকোষ বিভাজনে সহায়তা করে কোন কোষীয় অঙ্গানু ?
= সেন্ট্রিওল্
১৩। গলজি বস্তু কোথায় পাওয়া যায় ?
= প্রাণি কোষে
১৪ । জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে
= লাইসোজোম
১৫। উদ্ভিদ টিস্যু প্রধানত কত প্রকার ?
= ২প্রকার । ভাজক , স্থায়ী
১৬। স্থায়ী টিস্যু কত প্রকার ?
= ২ প্রকার । সরল , জটিল
১৭। সরল টিস্যু কত প্রকার ?
= ৩প্রকার । প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা , স্কেরেনকামইমা
১৮ । জটিল টিস্যু কত প্রকার ?
= ২ প্রকার । জাইলেম ও ফ্লোয়েম
১৯ । জাইলেম টিস্যুর কোষ কোন গুলো
= ট্রাকিড , ভেসেল , জাইলেম , প্যারেনকাইমা, জাইলেম ফাইবার ।
২০। প্রাণিটিস্যুর কত প্রকার ?
= ৪ প্রকার । আবরণী, যোজক, পেশি, স্নায়ু টিস্যু ।
২১। আবরণী টিস্যু কত প্রকার ?
= ৩ প্রকার
২২। হৃদপেশি বা কার্ডিয়াক পেশি কেমন ?
= এক ধরণের অনৈচ্ছিক পেশি ।
২৩। স্নায়ু টিস্যুর একক কী?
= নিউরণ
২৪। বৃক্কের একক
= নেফ্রণ
২৫। কোষ বিভাজন কত প্রকার ?
= ৩ প্রকার । অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস (দেহ কোষে), মিয়োসিস (জনন কোষো।
২৬। ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ শৈবাল , ঈস্ট প্রভৃতিতে কোন কোষ বিভাজন হয় ?
= অ্যামাইটোসিস
২৭। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপ কয়টি?
= ৫ টি । প্রোফেজ, প্রো-মেটাফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ।
২৮। কোষ বিভাজনের কোন পর্যাযে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে ?
= মেটাফেজ
২৯ । কোন কোষ বিভাজনের কারণে বহুকোষী জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে ?
= মাইটোসিসে ।
৩০ । জৈব মুদ্রা বা জৈব শক্তি নামে পরিচিত
= ATP
৩১। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ATP – কত কিলোক্যালরি শক্তি আবদ্ধ হয় ?
= ৭৩০০
৩২। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার পর্যায় কতটি ?
= ২টি ।
৩৩. C4 – উদ্ভিদ কারা ?
= ভুট্টা, আখ, মুথা ঘাস ।
৩৪ ।কোন আলোতে সালেকসংশ্লেষণ হয় না ?
= সবুজ ও হলুদ ( লাল আলোতে বেশি)
৩৫। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার অপটিমাম তাপমাত্রা
= ২২-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
৩৬। ক্লোরোফিলের প্রধান উপাদান
= নাইট্রোজেন ও ম্যাগনেসিয়াম
৩৭। শ্বসনের অপটিমাম তাপমাত্রা
= ২০-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
৩৮।সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে নির্গত হয় কোনটি ?
= অক্সিজেন ।
৩৯। উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি কয়টি ?
= ৯টি । Mg, K, Na, C, H , O, P, S
৪০। উদ্ভিদের গৌণ পুষ্টি কয়টি ?
= ৭টি ।
৪১। কিসের অভাবে পাতা হলুদ হয়ে যায় ?
= নাইট্রোজেন
৪২। কিসের অভাবে পাতা, ফুল, ফল ঝরে যায় ও উদ্ভিদ খর্বাকার হয় ?
= ফসফরাসের
৪৩। কিসের অভাবে পাতার শীর্ষ ও কিনারা হলুদ ও মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় ?
= পটাসিয়াম
৪৪। কিসের অভাবে উদ্ভিদের ফুলের কুড়ি জন্ম ব্যাহত হয় ?
= বোরন
৪৫। খাদ্যপ্রাণ বলা হয় কাকে ?
= ভিটামিনকে
৪৬। সুষম খাদ্যে আমিষ: চর্বি : শর্করা
= ৪: ১:১
৪৭। দৈনিক কত গ্লাস পানি পান করা উচিত ?
= ৭-৮ গ্লাস
৪৮। কোন খাবারে সবচেয়ে বেশি আমিষ আছে ?
= মুরগির মাংস ( ২৫.৯/ ১০০ গ্রাম ) মসুর ২৫.১ গ্রাম ।
৪৯। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈহিক ওজনের কত % পানি ?
= ৪৫-৬০ % ( অন্য জায়গা দেওয়া আছে > ৬০-৭৫%)
৫০। রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাব হলে কোন রোগ হ য় ?
= রক্তশূন্যতা বা এ্যানিমিয়া
৫১। মুখগহ্বরে খাদ্যকে পিচ্ছিল করে কে ?
= লালা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত মিউসিন
৫২। লালা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এনজাইমের নাম ?
= টায়ালিন ও মলটেজ।
৫৩। মানুষদের স্থায়ী দাঁত কত প্রকার ?
= ৪ প্রকার ।
৫৪। মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি কোনটি ?
= যকৃত । একে জীবনের রসায়ন গবেষণাগার বলা হয় ।
৫৫। কোন এনজাইম আমিষকে এ্যামাইনো এসিড এসিডে পরিণত করে ?
= পেপসিন ও ট্রিপসিন (
৫৬। কোন এসিড পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে ?
= হাইড্রোক্লোরিক এসিড
৫৭। ডায়ারিয়া হয় কিসের কারণে?
= রোটা ভাইরাসের
৫৮। সুগন্ধ ও দুর্গন্ধ কোন প্রক্রিয়া বাতাসে ছড়ায় ?
= ব্যাপন
৫৯। প্রোটোপ্লাজমের কত % পানি ?
= ৯০ %
৬০ । শুকনা কিসমিস ফুলে ওঠে কোন প্রক্রিয়া ?
= অভিস্রবণ
৬১ । গাছের পাতা শুকিয়ে যায় না কেন ?
= প্রস্বেদনের কারণে
৬২। রক্ত উপাদান কত প্রকার ?
২ প্রকার । রক্তরস ও রক্তকনিকা
৬৩। রক্ত কণিকা কত প্রকার ?
– ৩ প্রকার । লোহিত , শ্বেত ও অনুচক্রিকা
৫৪। জীবনীশক্তির মুল কী ?
= রক্ত
৫৫। রক্তে রক্তরসের পরিমাণ কত ?
= ৫৫ভাগ
৫৬। কিসের জন্য রক্ত লাল হয় ?
= হিমোগ্লোবিনের জন্য ।
৫৭। হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?
= অক্সিজেন পরিবহন
৫৮। শ্বেত কণিকা কোন প্রক্রিয়া রোগ জীবাণু ধ্বংস করে ?
= ফ্যাগোসাইটোসিস
৫৯। রক্ত তঞ্চনে সহায়তা করে ?
= অনুচক্রিকা
৬০। রক্তের গ্রুপ কয়টি ?
= ৪টি । A, B, AB, O .
৬১. সর্বজনীন দাতা গ্রুপ কে ?
= ও
৬২। সর্বজনীন গ্রহিতা কে ?
= AB
৬৩। একজন সুস্থ মানুষের দেহ থেকে কত লিটার রক্ত বাহির করে নিলে কোন অসুবিধা হয না ?
= ৪৫০ মি.লি
৬৪ । মানবদেহে প্রতি সেকেন্ড কি পরিমাণ লোহিত কণিকা উৎপন্ন হ য়?
= ২০ লক্ষ
৬৫। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠ কয়টি ?
= ৪টি
৬৬। হৃদপিন্ডের সংকোচনকে বলে
= সিস্টোল
৬৭। হৃদপিন্ডের প্রসারণকে বলে
= ডায়াস্টোল
৬৮। একজন আদর্শ মানুষের রক্তচাপ
= ৮০/১২০ ।
৬৯। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ২০২০ সালে বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি হবে
= স্ট্রোক ও করোনারি ধমনির চাপ
৭০। রক্তচাপ মাপা হয
= স্ফিগমোম্যানোমিটার
৭১। আমাদের শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টরল কোনটি ?
= HDL
- আমাদের রক্তে LDL – এর পরিমাণ
= ৭০%
৭৩. অ্যানজিনা কী?
= হৃদপিন্ডে রক্ত চলাচল কমে গেলে ব্যথা অনুভূত হওয়া
৭৪। সূর্যালোকের উপস্থিতিতে চামড়ায় ভিটামিন তৈরিতে ভূমিকা রাখে কে ? –
= কোলেস্টেরল
৭৫। ব্লাড ক্যান্সারকে বলা হয়
= লিউকোমিয়া ( শ্বেত কণিকার আধিক্য
৭৬। বাতজ্বর হয় কী কারণে ?
= স্ট্রেপটোকক্কাস অনুজীবের কারণে
৭৭। শ্বাসনালি সংক্রান্ত রোগ
= হাপানি, ব্রংকাইটিস , নিউমোনিয়া (ফুসফুসের । ব্যাকটেরিয়া) , যক্ষ্মা ( বায়ু বাহিত) ।
৭৮। রক্ত সম্পূর্ণ অকোজো ও বা বিকল হবার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধিত করার পদ্ধতিকে বলে
= ডায়ালাইসিস
৭৯। মানব দেহে কতটি হাড় রয়েছে ?
= ২০৬টি
৮০। কলমে মূল গজানো, অকালে ফল ঝড়ে যাওয়া রোধ ও বীজহীন ফল তৈরি ব্যবহৃত হয় কোনটি?
= অক্সিন
৮১ । ফুল ফোটাতে, বীজের সুপ্তাবস্থা দৈর্ঘ্য কমাতে , এবং অঙ্কুরোদগমে ব্যবহৃত হয় ?
= জিবেরেলিন
৮২। ফল পাকাতে
= ইথিলিন
৮৩। জীবনের রাসায়নিক দূত হলো
= হরমোন
৮৪। গুরু মস্তিষ্ক বলা হয়
= সেরিব্রামকে
৮৫। পনস কোথায় থাকে ?
= পশ্চাৎমস্তিষ্কে
৮৬। অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট কার অংশ
= নিউরণের
৮৭। মানব মস্তিষ্কে উদ্দীপনার বেগ
= প্রায় ১০০ মিটার
৮৮। েএকটি নিউরণের অ্যাক্সেনের সাথে দ্বিতীয় নিউরণের ডেনড্রাইটের সংযোগ স্থলকে বলা হয়
= সিনাপসিস
৮৯। ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয় ……
= আইলেটস অব ল্যাঙ্গার হ্যান্স থেকে ।
৯০ । পারকিনসন্স রোগ কিসের ?
= মস্তিষ্কের
৯১। এপিলেপসি রোগ কিসের ?
=মস্তিষ্কের
৯২। একটি সম্পূর্ণ ফুলে কয়টি অংশ ?
= ৫টি
৯৩। জবা, কুমড়া , সরিষা ফুলের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে?
= কীটপতঙ্গ
৯৪। ধানের ফুলের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে?
= বায়ুর মাধ্যমে
৯৫। পাতা শ্যাওলা ফুলের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে?
= পানি
৯৬। কদম , শিমুল , কচু ফুলের পরাগায়ন হয় কিসের মাধ্যমে?
= প্রাণীপরাগী
৯৭। প্রাণীর প্রজনন হয় কত প্রকারে?
= ২ প্রকারে / যৌন ও অযৌন
৯৮ । এইডস রোগ আবিষ্কৃত হয় কবে ?
= ১৯৮১
৯৯। এইডস রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশের কতদিন পর লক্ষণ প্রকাশ পায় ?
= ৬মাস
১০০। জীবের বংশগতি ও বিবর্তন আলোচিত হয়
= জেনেটিক্সে
১০১ । বংশগতির বাহক ও ধারক
= জিন
১০২ । ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন থাকে তাকে বলে
= লোকাস
১০৩। বংশগতির ভৌতভিত্তি হলো
= ক্রোমোসোম
১০ ৪। ডিএনএর আনবিক গঠন আবিষ্কার করেছেন কে?
= ওয়াটসন ও ক্রিক ( ১৯৫৩সালে )
১০৫। মানবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা
= ৪৬টি বা ২৩ জোড়া । ২২ জোড়া অটোজোম , ১ জোড়া সেক্স ।
১০৬। ডিএনএ বিশ্লেষণ পদ্ধতিকে বলা হয়
= সেরোলজি
১০৭। জেনেটিক ডিসঅর্ডার জনিত রোগ
= থ্যালাসেমিয়া ( লোহিত কণিকার আধিক্য ) , ক্লালার ব্লাইন্ড
১০৮। পরিবেশে জীব উপাদানগুলো কত প্রকার ?
= ৩ প্রকার । খাদক, উৎপাদক, বিয়োজক
১০৯। কমেনসেলিজমের ( দুটি উদ্ভিদের মধ্যে একজন উপকৃত হওয়া) উদাহরণ
= রোহিণী উদ্ভিদ
১১০। মিউচুয়ালিজম ( উভয় উদ্ভিদ উপকৃত হওয়া) উদাহরণ
= মৌমাছি, প্রজাপতি, পোকামাকড়ের বাদুড় এর সাথে গাছের সম্পর্ক
১১১ । সিমবায়োসিস কি?
= একই সাথে একাধিক উদ্ভিদ বসবাসের করলে তাদের সাথে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
১১২। বায়োটেকনলোজি শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন
= কার্ল এরিক
১১৩। টিস্যুকালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদের যে অংশ পৃথক করা হয় তাকে কি বলে ?
= এক্সপ্লান্ট
১১৪। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে উৎপাদিত জীবকে বলে
= GMO ( Genetically Modified Organism ) , GE ( Genetically Engineered , Transgenic
১১৫। ছোট দিনের উদ্ভিদ
= চন্দ্রমল্লিকা , ডালিয়া
১১৬। বড় দিনের উদ্ভিদ
= লেটুস , ঝিঙা
১১৭। আলোক নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ
=শসা , সূর্যমুখী
১১৮।শৈত প্রদান করে ফুল ধারণ কে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে বলে
= ভার্নালাইজেশন
১১৯। বীজ বপনের পর কত তাপমাত্রা প্রয়োগ করলে উদ্ভিদের স্বাভাবিক পুষ্প প্রস্ফুটন ঘটে ?
= ২-৫ডিগ্রি সেলসিয়াস
হৃৎপিণ্ড
১। হৃৎপিণ্ড কাকে বলে ?
উত্তরঃ দেহের যে প্রকোষ্ঠময় পেশল অঙ্গের নিরবচ্ছিন্ন ছন্দোময় সঙ্কোচন প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র দেহে রক্ত সংবহিত হয় তাকে হৃৎপিণ্ড বলে।
একে মানব দেহের পাম্পযন্ত্র বলা হয় ।
এটি জীবদ্দশায় গড়ে ২৬০০ মিলিয়ন বার স্পন্দিত হয় এবং ১৫৫ মিলিয়ন লিটার রক্ত নিলয় থেকে বের করে দেয় ।
প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষে এর ওজন – ২৫০ – ৩৯০ গ্রাম এবং স্ত্রীতে এর ওজন – ২০০ – ২৭৫ গ্রাম ।
অবস্থান – মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরে মধ্যচ্ছদার উপরে ও দুই ফুসফুসের মাঝ-বরাবর বাম দিকে একটু বেশি বাঁকা হয়ে অবস্থিত। এটি দেখতে ত্রিকোণাকার ।
আকৃতি – লালচে-খয়েরী রংয়ের হৃৎপিণ্ডটি ত্রিকোণা মোচার মতো। এর চওড়া ঊর্ধ্বমুখী অংশটি বেস (base), ক্রমশ সরু নিম্নমুখী অংশটি এপেক্স (apex)। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হৃৎপিণ্ডের দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ যেন্টিমিটার ও প্রস্থ প্রায় ৮ সেন্টিমিটার।
হৃৎপিণ্ড একটি পাতলা দ্বিস্তরী আবরণে আবৃত । এর নাম পেরিকার্ডিয়াম ।
এর প্রাচীর তিনটি –
ক) এপিকার্ডিয়াম
খ) মায়োকার্ডিয়াম
গ) এন্ডোকার্ডিয়াম
এর প্রকোষ্ঠ –
এটি চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট ।
এতে দুইটি অ্যাট্রিয়াম ( অলিন্দ )
ও দুইটি ভেন্ট্রিকল ( নিলয় ) থাকে ৷
তবে মাছের হৃৎপিণ্ড দুই প্রকোষ্ট বিশিষ্ট ।
হৃৎপিণ্ড মিনিটে – ৭০ – ৮০ বার ( গড়ে ৭৫ ) বার স্পন্দিত হয় ।
এর সংকোচনকে সিস্টোল এবং প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে ।
- প্রাণিবিদ্যা সম্পর্কিত বিভিন্ন সাধারণজ্ঞান মূলক প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন: দুধের রং সাদা হয় কেন ?
উত্তর: প্রোটিনের জন্য
» প্রশ্ন: মানুষের হৃদপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?
উত্তর: চারটি
» প্রশ্ন: কোন প্রাণীকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয় ?
উত্তর: উট
» প্রশ্ন: প্রবাল এক প্রকার ?
উত্তর: নিডারিয়ান প্রাণী
» প্রশ্ন: হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ ?
উত্তর: আমিষ
» প্রশ্ন: রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে?
উত্তর: লেন্সের
» প্রশ্ন: মিষ্টি আলু কি?
উত্তর: স্বেতসার জাতীয় খাদ্য
» প্রশ্ন: পেন্সিল তৈরীতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
উত্তর: ধুন্দল
» প্রশ্ন: প্রথম কোথায় নিপাহ ভাইরাস পাওয়া যায়?
উত্তর: মালয়েশিয়ায় (১৯৯৮)
» প্রশ্ন: ‘হংকং ভাইরাস’ নামে পরিচিত ‘সার্স’ প্রথম কোন দেশে দেখা যায়?
উত্তর: চীন (২০০২)
» প্রশ্ন: মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?
উত্তর: স্নায়ুতন্ত্রের
» প্রশ্ন: যে সব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের কী বলা হয়?
উত্তর: প্যাথজেনিক
» প্রশ্ন: শীত বা গ্রীষ্মের পূর্বে গাছের পাতা ঝড়ে যায় কেন?
উত্তর: প্রস্বেদনের হার কমাতে।
» প্রশ্ন: শীতল রক্তের প্রাণী কোনটি?
উত্তর: ব্যাঙ
» প্রশ্ন: বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্ম কাকে বলে?
উত্তর: রাজ কাঁকড়া
» প্রশ্ন: উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম কোনটি?
উত্তর: Cycas
» প্রশ্ন: প্রাণিবিজ্ঞানের জনক কে?
উত্তর: এরিস্টটল
» প্রশ্ন: জলজ শামুক,ঝিনুকের খোলক কি দিয়ে গঠিত?
উত্তর: ক্যালসিয়াম কার্বনেট
» প্রশ্ন: কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়?
উত্তর: শুশুক
» প্রশ্ন: ক্লোন পদ্ধতিতে প্রথম ভেড়ার নাম কী?
উত্তর: ডলি
» প্রশ্ন: সবচেয়ে বড় কোষ কোনটি?
উত্তর: উট পাখির ডিম (দ্ব্যর্থতা নিরসনে অাগামীকাল রাত ৮টার পোস্ট দেখুন)
» প্রশ্ন: ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কোন প্রাণী?
উত্তর: মাছ, ব্যাঙ্গাছি,
» প্রশ্ন: ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কে?
উত্তর: কেঁচো
» প্রশ্ন: প্রাকৃতিক লাঙল বলা হয় কোনটি?
উত্তর: কেঁচো
» প্রশ্ন: সাদা রক্তের বা বর্ণহীন রক্তের প্রাণী কোনটি?
উত্তর: তেলাপোকা (হিমোসিল থাকার কারণে সাদা হয়)
» প্রশ্ন: প্রাণী কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয় কাকে?
উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়া
» প্রশ্ন: প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয় কাকে?
উত্তর: কেঁচো
» প্রশ্ন: জীবাণু বিদ্যার জনক কে?
উত্তর: ভন লিউয়েন হুক
» প্রশ্ন: পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি?
উত্তর: বামন চিকা (চামচিকা)
» প্রশ্ন: সবচেয়ে বড় ফুল কোনটি?
উত্তর: র্যাফোসিয়া আরনন্ডি।
» প্রশ্ন: শরীর বিদ্যার জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: উইলিয়াম হার্ভে
» প্রশ্ন: সর্ব প্রথম অনুবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন কে?
উত্তর: ভন লিউয়েন হুক
» প্রশ্ন: ‘অরিজিন অফ স্পিসিস’ বইটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ডারউইন
» প্রশ্ন: উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক কে?
উত্তর: থিউফ্রাস্টাস
» প্রশ্ন: জীনের গঠনের একক কী?
উত্তর: ডি এন এ
» প্রশ্ন: সিঙ্কোনা কি কাজে ব্যাবহৃত হয়?
উত্তর: ম্যালেরিয়া ঔষধ
» প্রশ্ন: শর্করা খাদ্যের প্রাথমিক উৎস কী?
উত্তর: সবুজ উদ্ভিদ
» প্রশ্ন: উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ কোনটি?
উত্তর: ফুল
» প্রশ্ন: সবচেয়ে বড় ঘাস কী?
উত্তর: বাঁশ
» প্রশ্ন: কোন উদ্ভিদে সর্বাধিক ক্রোমোসোম থাকে?
উত্তর: ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদে প্রায় ১২৬০টি
» প্রশ্ন: মাছিতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ১২টি
» প্রশ্ন: কুকুরে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ৭৮টি
» প্রশ্ন: গরু ছাগলে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ৬০টি
» প্রশ্ন: ধান গাছে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ২৪ টি
» প্রশ্ন: ব্যাঙে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ২২টি
» প্রশ্ন: মুরগীতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ৭৮টি
» প্রশ্ন: ভেড়াতে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে?
উত্তর: ৫৪টি
» প্রশ্ন: কুইনাইন পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে?
উত্তর: সিনকোনা
» প্রশ্ন: কমলা লেবুতে কোন অ্যাসিড পাওয়া যায়?
উত্তর: এসকরবিক অ্যাসিড
» প্রশ্ন: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদ কোনটি?
উত্তর: বৈলাম
» প্রশ্ন: আঙ্গুরে কোন অ্যাসিড থাকে?
উত্তর: টারটারিক অ্যাসিড
» প্রশ্ন: কচু খেলে গলা চুলকায় কিসের উপস্থিতির জন্য?
উত্তর: ক্যালসিয়াম অক্সালেট
» প্রশ্ন: দুধের প্রোটিনের নাম কী?
উত্তর: কেজিন
» প্রশ্ন: লেবুতে কোন অ্যাসিড থাকে?
উত্তর: সাইট্রিক অ্যাসিড